বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক মানের সুপার-স্পেশালিটি হেলথ-কেয়ার “নর্থ পয়েন্ট মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতাল-এনপিএমসিএইচ” বাজারে ৬৫ হাজার টাকার ‘ভুয়া’ ক্যান্সার ইনজেকশন দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে শতকরা ২৫ ভাগ মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগে বেসরকারি মেডিক্যালে ভর্তিতে অটোমেশন বাতিলের দাবি জাপানের নারাতে শতাব্দী প্রাচীন উৎসবে সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রার্থনা অপারেশনের ঝুঁকি কমাচ্ছে এআই প্রযুক্তি রাতে ভালো ঘুম না হলে যেসব সমস্যা হতে পারে শিশুর আঙুল চোষার অভ্যাস দূর করার উপায় উত্তম চিকিৎসায় সমঅধিকার; অর্জনে করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক করে ক্যাম্পস একটি হাসপাতালের সুনাম ডাক্তার থেকে পরিচ্ছন্নতা কর্মীসহ সবার উপর নির্ভর করে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এক ঘণ্টার মধ্যে আল-শিফা হাসপাতাল খালি করার নির্দেশ ইসরায়েলের

Newborns are placed in bed together after being taken off incubators in Gazas al Shifa hospital after power outage. Photograph By-Reuters

ফিলিস্তিনের গাজার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আল-শিফা এক ঘণ্টার মধ্যে খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি সেনারা। শনিবার (১৮ নভেম্বর) এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে একটি সূত্র জানিয়েছে, চিকিৎসক, রোগী, আশ্রয় নেওয়া সাধারণমানুষসহ সবাইকে এক ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতাল প্রাঙ্গন ছাড়তে বলা হয়েছে।

আলজাজিরা জানিয়েছে, একজন চিকিৎসক তাদের বলেছেন, ‘ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আমাদের সবাইকে এক ঘণ্টা সময় বেধে দিয়ে আল-রশিদ সড়ক দিয়ে সরে যেতে বলেছে। এটিকে আমরা সমুদ্র সড়ক বলে ডাকি।’

এই চিকিৎসক জানিয়েছেন, গাজার দক্ষিণ দিকে সরে যাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষ যে সড়ক ব্যবহার করছেন— এটি সেই সড়ক নয়। ইসরায়েলি সেনাদের নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণ মানুষ মূলত সালাহ আল-দিন সড়ক ব্যবহার করেন।

এই চিকিৎসক আরও জানিয়েছেন, ইসরায়েলিদের বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সব মানুষকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। কারণ রোগী ও ইনকিউবেটরে থাকা শিশুদের অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার কোনো অ্যাম্বুলেন্স তাদের কাছে নেই। এক ঘণ্টার মধ্যে সরে যাওয়ার নির্দেশনাকে ‘একটি বিপর্যয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।

অবরুদ্ধ গাজার উপত্যকার বৃহত্তম আল-শিফা হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। ইসরায়েলি বাহিনীর এক ঘণ্টার মধ্যে হাসপাতাল থেকে রোগীদের চলে যাওয়ার আল্টিমেটামের পর এখন সেটি জনমানবহীন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই হাসপাতালের ইনকিউবেটরে কয়েক ডজন শিশুসহ মুমূর্ষু শত শত রোগী ছিলেন। তারা এখন হাসপাতালের চত্বরে এবং করিডোরে পড়ে আছেন। অনেকে তীব্র যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন।

গত ১৫ নভেম্বর আল-শিফা হাসপাতালের ভেতরে হামলা চালায় ইসরায়েলি সেনারা। হামলার সময় হাসপাতালটিতে ৬৫০ জন রোগী, প্রায় ৫০০ জন স্টাফ এবং কয়েক হাজার আশ্রিত মানুষ ছিলেন। তারা গত তিন-চারদিন ধরে সেখানে খাবার-পানি ছাড়া আটকা পড়ে আছেন। এছাড়া যেসব রোগী আইসিওতে আছেন তারা জ্বালানির অভাবে মেশিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মৃত্যুবরণ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুক পেজ ফলো করুন

Categories